ভুয়া বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন (Fake Peer Review), তথ্যের অসংগতি এবং চৌর্যবৃত্তিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নাল থেকে বাংলাদেশি গবেষকদের মোট ৩২৫টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ধরনের ঘটনায় দেশের গবেষকদের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে এবং এর ফলে নতুন গবেষণা সুপরিচিত জার্নালে প্রকাশ করাও বেশ কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা।
যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নাম সবচেয়ে বেশি রয়েছে:
১. ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি — ৪৪টি
২. নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি — ৪২টি
৩. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় — ৩২টি
৪. ইউনাইটেড International ইউনিভার্সিটি — ২১টি
৫. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — ২০টি
৬. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — ১১টি
৭. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় — ১১টি
৮. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় — ১১টি
৯. ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ — ১০টি
১০. নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — ১০টি
১১. বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি — ১০টি
১২. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি — ৭টি
১৩. গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় — ৬টি
গবেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, কোনো দেশের একের পর এক গবেষকের গবেষণা এভাবে প্রত্যাহার হওয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের শিক্ষাঙ্গন ও গবেষকদের জন্য বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মানসম্মত ও নীতিসম্মত গবেষণা পরিচালনার ওপর আরও বেশি জোর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
