Logo জনতার শব্দ - নিউজ পোর্টাল

সত্যের সন্ধানে নির্ভীক ও সর্বশেষ সংবাদ এবং প্রয়োজনীয় আপডেট

🔴 নোটিশ: জনতার শব্দ ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম! 📌 জাতীয়, আন্তর্জাতিক, বিনোদন, খেলাধুলা এবং গুরুত্বপূর্ণ সকল খবরের সর্বশেষ আপডেট পেতে সাথেই থাকুন। আরোও এখানে পাচ্ছেন সরকারি সকল সেবার ওয়েবসাইট, "সরকারি তথ্য" ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
লোড হচ্ছে...

দেড় যুগ ধরে নেই মুসলিম শিক্ষক: ধর্মীয় শিক্ষায় বঞ্চিত লামার তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

দেড় যুগ ধরে নেই মুসলিম শিক্ষক: ধর্মীয় শিক্ষায় বঞ্চিত লামার তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

বিকাল ৪:০৭ | সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
ইসফার নাজমুল হুদা
✒️ নিজেস্ব প্রতিনিধি: ইসফার নাজমুল হুদা (জনতার শব্দ)

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে কোনো মুসলিম বা ইসলাম ধর্মের শিক্ষক নেই। ফলে ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের নিয়মিত পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে মোট ২৭৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। এর মধ্যে ১৫৪ জনই মুসলিম শিক্ষার্থী, যা মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৫৬ শতাংশ। অথচ পাঠদানের জন্য কর্মরত প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচজন শিক্ষকের সবাই মারমা সম্প্রদায়ের। কোনো মুসলিম শিক্ষক পদে না থাকায় এসব শিক্ষার্থীর প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মীয় শিক্ষার সুযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে।

কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বললে তারা আক্ষেপ প্রকাশ করে জানায়, স্কুলে ইসলাম ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের কোনো ক্লাস হয় না। ফলে জটিল ও তাত্ত্বিক বিষয়গুলো শিক্ষকের সহায়তা ছাড়া তাদের নিজেদেরই বাড়িতে পড়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে প্রধান শিক্ষক সুইচিং মারমা বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরাও বেশ বিব্রত। ৫৬ শতাংশ মুসলিম শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। স্থায়ী সমাধানের জন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।

বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে দ্রুত ধর্মীয় শিক্ষক পদায়নের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

লামা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশীষ বিশ্বাস জানান, শুধু ফাইতং হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ই নয়, উপজেলার গজালিয়া হেডম্যান পাড়া ও রাজবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানেও একই ধরনের সমস্যা রয়েছে। শিক্ষক পদায়নের মাধ্যমে দ্রুত এ সংকট সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

Previous Post Next Post